জিপি এক্সেলারেটরের ষষ্ঠ ব্যাচ শুরু

জিপি এক্সেলারেটরের ষষ্ঠ ব্যাচ শুরু

জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে শুরু হলো ‘জিপি এক্সেলারেটর’ এর ষষ্ঠ ব্যাচের আয়োজন।

শীর্ষ টেলিকম প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের বিভিন্ন রিসোর্স এবং সুযোগ সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়ে নতুন স্টার্ট আপগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই আয়োজিত হতে যাচ্ছে এই আয়োজন।

বুধবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জিপি হাউজে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় সাড়ে চার মাসব্যাপী এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফলি, ডেপুটি সিইও ইয়াসির আজমান, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, সিডস্টার এর সহ প্রতিষ্ঠাতা পিয়েরে অ্যালাইন সহ গ্রামীণফোন এবং দেশের আইসিটি খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, উদ্যোক্তা তৈরি করার সুনির্দিষ্ট কোন কারিকুলাম নেই। জাতিগতভাবে আমরা ঝুঁকি নিতে অভ্যস্ত। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন নতুন আবিষ্কার করি আমরা। আমাদের কাজটা হচ্ছে শুধু নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেওয়া। তারা যদি ব্যর্থ ও হয় কোন কিছুতে, তবুও তাদের অনুপ্রেরণা দেওয়া।

স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে পলক বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মধ্যম আয়ের গ্রাহক শ্রেণী আছে। আর ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছে প্রায় ১০০ মিলিয়ন। বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবার এক বড় বাজার আমাদের রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এবারের আয়োজনে প্রাথমিকভাবে প্রায় এক হাজার ২০০ আবেদন পায় গ্রামীনফোন। বিভিন্ন দফায় বাছাই শেষে তাদের মধ্যে থেকে শীর্ষ নয়টি দল নিয়ে আয়োজিত হতে যাচ্ছে জিপি এক্সেলারেটর ৬। বরাবরের মতো এবারের আয়োজনেও টার্মশিট, ভ্যালুয়েশন, ফিনান্সিয়াল মডেলিং, ব্র্যান্ডিং ইত্যাদি বিষয়ে গ্রামীণফোনের থেকে প্রশিক্ষণ পাবে স্টার্টআপ গুলো।

এছাড়াও আয়োজনের শেষ পর্যায়ে স্টার্ট-আপগুলোর ব্যবসার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ নিশ্চিত সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করবে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রামীণফোনের দাবি এসব সহায়তা আর্থিক বাজারমূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকার সমান।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। তারকা (*) চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যপূরণীয়। *